#ইলুমিনাতি_পৃথিবীর_সব_মানুষকে_নিয়ন্ত্রণ_করেঃঃ
#দাজ্জালের_সংস্থা_ইলুমিনাতি
নিচের এই ৮ টি পদ্ধতি ব্যবহার করে
পৃথিবীর সব মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করছে!!
সেগুলো হলোঃঃ
১. #ড্রেসআপ
২. #হেয়ারস্টাইল_হেয়ারকালার
৩. #ড্রিংকস_খাবার
৪. #ব্রান্ড_কোম্পানি
৫. #বিভিন্ন_প্রয়োজনীয়_Apps
৬. #ইমোজি
৭. #উৎসব
৮. #গেমস_ও_খেলার_সামগ্রিক_সরঞ্জামাদি
⭕#ড্রেসআপঃঃ
প্রথমেই আসি পোশাক- আশাকের দিকে। ইদানীং কালো-সাদা হুডি জ্যাকেটের খুব প্রচলন চলছে। যেগুলো টুপিসহ থাকে। এই জ্যাকেটগুলো যখন কেউ টুপিসহ পড়ে তখন তাকে কেমন লাগে দেখতে? অনেক মুভিতে হিরোরা এই হুডি পড়ে আলো-আঁধারীর মধ্যে হঠাৎ উদয় হয় লুসিফারের মত। এই হুডিটা আসলে ইলুমিনাতিদের শয়তান 'বাপহমেট' এর পূজায় ব্যবহৃত একটি বিশেষ পোশাক। পূজার সময় এই পোশাক পরিধান করে মাথায় হুডি চাপিয়ে তারা ঠিক সেভাবেই ধীরে ধীরে হেলেদুলে মূর্তির সামনে আসে যেটাকে আমরা ফ্যাশন হিসেবে করে থাকি। শুধু এইটুকুই নয়, এই হুডি গুলোর মধ্যে অনেক কোম্পানীর সাইন,লোগো থাকে যেগুলো ইলুমিনাতি সাইন ইনডিকেট করে। খুব সূক্ষ্মভাবে ইলুমিনাতির এক চোখ বিশিষ্ট ট্রায়াঙ্গল ফুটিয়ে তোলা হয় যেটা আপনি সাধারণ চোখে দেখেন না কিন্তু আপনার সাবকন্সিয়াস মাইন্ড ঠিকই ধরে ফেলে। এছাড়াও অন্য সাধারণ পোশাকগুলোতেও তাদের সাইন,কোড থাকে।
সাইন আপনাদের বারবার দেখিয়েছি।
এখন বলে দেই ওদের গোপন কোড কি কি!!
"R.I.P",
"Do Not Trust Anyone ",
Trust No 1",
"OBEY DASH for CHAOS",
কংকালের খুলী,পিরামিডের ছবি কিংবা এক চোখ এগুলোই তাদের কোড। আর তাই আপনি অনেক পোশাকেই এইসব সিম্বল-কোড দেখতে পাবেন। কারণ সমগ্র দুনিয়ার পোশাক কোম্পানীগুলো তাদের নিয়ন্ত্রণে। ফ্যাশনের নামে এই পোশাকগুলো গায়ে চাপাচ্ছেন আর লুসিফার/দাজ্জাল/নমরুদ-ফেরাউনকে আল্লাহ হিসেবে মেনে নিয়ে তার দাসত্ব করছেন। ওগুলো পড়েই নামাজে দাঁড়াচ্ছেন, সিজদা দিচ্ছেন। সুন্নাত উল্টিয়ে আজ আমার মুসলিম ভাইয়েরা টাখনুর নিচে আর বোনেরা টাখনুর উপরে পায়জামা পড়েন। মানে সুন্নাত ভাগাভাগি করে নিয়েছেন আর কি!!!
⭕#হেয়ার_স্টাইল_এন্ড_হেয়ারকালারঃঃ
আহ! কত নিত্যনতুন হেয়ার স্টাইলের জন্য পার্লারে কতই না সিরিয়াল দিয়েছেন। 'v' কাট,'u' কাট,লেয়ার কাট, অমুক কাট তমুক কাট। সোজা চুল কার্লি করছেন তো কার্লি চুল সোজা। শুধু কাট দিয়েই আবার তৃপ্ত হন না অদ্ভুত অদ্ভুত সব কালারও করেন। এই কাট আর কালারগুলো কোথা থেকে পেলেন? অমুক সেলিব্রিটির ফ্যাশনে। শুধু মেয়েরাই নয়,আজকালকার ছেলেরাও এক্ষেত্রে কম যায় না। প্রিয় ভাই বোনেরা, একটা কথা মাথায় রাখবেন - "সেলিব্রিটি মানেই স্টার,স্টার মানেই পেন্টাগ্রাম,পেন্টাগ্রাম মানেই বিফরমেটেড পিরামিড সাইন,বিফরমেটেড মানেই ইলুমিনাতি আর ইলুমিনাতি মানেই দাজ্জাল"।
⭕#ড্রিংক্স_খাবারঃঃ
আপনারা অনেকেই #ডানো,
#ড্যানিশের পাশাপাশি "#Red_Cow" নামক এক গুঁড়োদুধের প্রোডাক্ট চেনেন। অনেকে ব্যবহারও করেন। এই প্রোডাক্টের জারে একটা 'লাল গরু'র ছবি থাকে। কখনো কি আপনার অবচেতন মনে এই প্রশ্নটা জেগেছিল যে,গরুটা 'লাল' কেন?? আমরা তো সাধারণত কালো,সাদা,সাদা-কালো বা হালকা রঙিন গরু দেখে থাকি।
কিন্তু একেবারে লাল কালারের গরু কি আদৌ হয়???
ইহুদীদের বিকৃত বাইবেলের ভাষ্যমতে, কিয়ামতের ঠিক পূর্বে একটি লাল গাভী জন্ম নিবে। সেই লাল গাভী জন্ম নেবার পর তিন বছর বয়সে উপনীত হলে সেটিকে আগুনে পুড়িয়ে ছাই করে সেই ছাই মেখে ইহুদী সম্প্রদায় পবিত্রতা অর্জন করবে। অন্যথায় তারা পবিত্র হবে না। তাদের বিশ্বাস অনুযায়ী লাল গাভী বের হবার পরই বর্তমান বাইতুল মুকাদ্দাস মসজিদ ও
The Dome of the Rock ভেঙে তারা সেখানে একটি হাইকল বা উপাসনালয় নির্মাণ করবে বা তাদের ধারণা অনুসারে সেটি মাটির তলায় প্রোথিত আছে সেটা মাটি খুঁড়ে উত্তোলন করবে। এটা হবে তৃতীয় হাইকল আর এই হাইকলে শুধু ইহুদীরাই উপাসনা করতে পারবে অন্য ধর্মাবলম্বীরা নয়। উল্লেখ্য যে,এর আগে আরো দুইবার হাইকল নির্মাণ করা হয়েছিল। প্রথমবার বানিয়েছিলেন সুলাইমান (আ:)। কিন্তু সেগুলো ভেঙে ফেলা হয়েছিল। ইহুদীরা বিশ্বের সর্বত্র এই লাল গাভী হন্য হয়ে খুঁজে ফিরছে। এবং অবশেষে তারা খুঁজেও পেয়েছে। আমেরিকার নিউ জার্সির এক গো-খামারে। কিন্তু গাভীর মালিক সেটি কোনমতেই ইহুদীদের কাছে বিক্রি করতে রাজি নয়। এই লাল গাভীকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে নতুন উন্মাদনার সৃষ্টি হয়েছে। আর একারণেই আপনি প্রত্যেকটা ইসরাইলি দুগ্ধজাতীয় পণ্যে রেড কাউ দেখতে পাবেন।
রেডকাউ,
রেডবুল,
ডানো,
ড্যানিশ,
নেসলে,
ম্যাগি নুডলস,
পেপসি,
রকস্টার,
পিজ্জাহাট
এগুলোর লোগো খেয়াল করুন।
এর কোনটা পিরামিড কোনটা মার্ক অফ দ্য বিস্ট সাইন সম্বলিত।
আপনাদের নিশ্চয়ই মনে আছে
মার্ক অফ দ্য বিস্ট কোনটা?
হ্যা "666" বা পরপর ৩ টা ৬।
কিছু কিছু পানীয়ের বোতলের গায়ে দেখবেন ৩ টা পরপর 'লাল' বা 'সবুজ' রঙের দাগ।
দেখে মনে হবে যেন রঙগুলো গড়িয়ে পড়ছে। এগুলোও মার্ক অফ দ্য বিস্টকে নির্দেশ করে।
এখানে আপনাদের আরেকটু স্মরণ করিয়ে দেই রাসূল (সা:) বলেছেন -" দাজ্জাল হবে স্থূলকায় লাল বর্ণের,আর তার চোখ হবে হালকা সবুজ সীসার মত,মাথার চুল হবে কোঁকড়া ও এলোমেলো।"(সহীহ মুসলিম)
⭕ #Brand_Company::
FedEx,
Amazon,
Gillette,
LG,
Continental,
Unilever,
CocaCola,
Pinterest,
Toyota,
Pizza Hut,
Adidas,
Apex....... আর কয়টা নাম বলবো!
(এই ব্র্যান্ডগুলোর লোগো সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাইলে গুগলে সার্চ করতে পারেন The secret meanings behind 40 brand logos এ)
⭕#বিভিন্ন_প্রয়োজনীয়_এপসঃঃ
Google,
Google Chrome,
GPS,
Gmail,
Google Drive,
YouTube,
Facebook,
Twitter,
Play Store,
MX Player সহ
সব প্রয়োজনীয় এপসেও আছে ইলুমিনাতি-ফ্রিম্যাসন্স সাইন ও সিম্বলস।
এর মধ্যে ফেসবুক বাদে গুগলের সব এপসে পিরামিড আছে।
কোনটায় একটা আবার কোনটায় একাধিক পিরামিড যেগুলোর গোপন অর্থ হল "Sigils of Lucifer" অর্থাৎ শয়তানের আন্ডারগ্রাউন্ড রাস্তা।
আপনাদের হয়তো এবার মনে প্রশ্ন জেগেছে গুগলের নাহয় পিরামিড আছে কিন্তু ফেসবুকে তো পিরামিড নেই? ফেসবুকের লোগোটা লক্ষ্য করুন। স্মল এফ। বিগ এফ কেন হল না? কারণ স্মল 'f' এর আকৃতিটা masonic "Tubal cone(cain)" symbol এর মত। যেটা ইলুমিনাতি ফ্রিম্যাসন্সদের আরেকটি সাইন। (সব এপসের লোগো ও তাদের সিক্রেট মিনিং ছবিতে দেখুন)।
⭕#ইমোজিঃঃ
এবার আসুন বহুল ব্যবহৃত ইমোজির অবস্থা দেখি। যেটা ছাড়া আমরা আমাদের অনুভূতি ঠিকভাবে বুঝাতেই পারি না।
আমিও এর ব্যতিক্রম নই।
😈👿👹👺✌️👌🙊💦🐙⭐
🔥✨🎆🎲🏐🏏📀🏴☠🇮🇱🇹🇳
এগুলো সবই ইলুমিনাতি সিম্বল।
শুধু এগুলোই নয় আরো আছে (ছবিতে দেখুন), ম্যাক্সিমাম স্টিকারই ম্যাসনিক।
সুতরাং এগুলো যত পারুন এভয়েড করুন।
⭕#উৎসবঃঃ
হ্যালোউইন,
থ্যাংকসগিভিং ডে,
ভ্যালেন্টাইনস ডে,
থার্টিফার্স্ট নাইট,
পহেলা বৈশাখ,
সাকরাইন
এগুলো সবই সেটানিজম কালচার।
আগে আমাদের দেশে হ্যালোউইন পালন করা হত না। এখন দেখি এটাও পালন হচ্ছে বিশেষ বিশেষ স্থানে। হ্যালোউইন সম্পর্কে সবাই জানেন।
পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রায় কিম্ভুতকিমাকার দানব আর কদাকার চেহারার পশুপাখির প্রতিকৃতি বানিয়ে মঙ্গল কামনা করা হয় যেটা হুট করেই হাজার বছরের বাঙালি সংস্কৃতি হয়ে গেছে!!
আমার বুঝে আসে না, এইসব দানবগুলো আর অবলা জীবগুলো কি করে সর্বশ্রেষ্ঠ সৃষ্টি "আশরাফুল মাখলুকাতের " মঙ্গল সাধন করে!!!
কারো মনে প্রশ্ন জাগতেও পারে হ্যালোউইন-পহেলা বৈশাখ বুঝলাম কিন্তু ভ্যালেন্টাইনস ডে কি দোষ করলো??
(যতই হোক সামনেই ভালোবাসার দিন আসতেছে!...) আগেই বলেছি ইলুমিনাতিদের একটা উদ্দেশ্য হল অবাধ যৌনাচার-অশ্লীলতা বিস্তার করা।
আর তাদের সেই উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য এইসব তথাকথিত ভালোবাসা দিবস আর থার্টিফার্স্ট নাইটের পার্টি থেকে ভালো আর কি হতে পারে।
⭕#গেম_ও_খেলার_সামগ্রীঃঃ
সবরকমের খেলার সামগ্রী বিশেষত বাচ্চাদের জিনিসে দেখবেন কোন না কোনভাবে ইলুমিনাতি সিম্বল আছেই। আর এখনকার মোবাইল-কম্পিউটার গেমসগুলোও একই কিসিমের। ফুটবলেও দেখবেন ওদের সাইন। আরেকটি বিশেষ উল্লেখযোগ্য খেলা হল দাবা যেটাকে তারা আমাদের কাছে উপস্থাপন করে বুদ্ধির খেলা হিসেবে। দাবা খেলার বোর্ড কেন সাদা-কালো হয়,কেন অন্য কালারের হয় না?? সেই একই কথা - যেমন সাদা তেমন কালো,যেমন ভালো তেমনই মন্দ। আর একারণেই আপনি অনেক লজ কিংবা রিসোর্টে সাদা-কালো টাইলস দেখবেন যেগুলো আসলে ইলুমিনাতি-ফ্রিম্যাসন্সদের অবস্থানকে ইংগিত করে।
উপরের তথ্যগুলো পড়ার পর এখন সবার মনে হয়তো একটা প্রশ্নই উঁকিঝুঁকি দিচ্ছে - সবকিছুই তো ইলুমিনাতি তাহলে উপায় কি??
আপনাদের মত আমারো একই প্রশ্ন "উপায় কি"?
যাই খাই, যাই করি,যাই পড়ি,যাই দেখি,যাই বলি সবই তো ইলুমিনাতি-সেটানিজম!
উপায় একটাই আর তাহল যতটা সম্ভব
এগুলো থেকে দূরে থাকা।
আর যেসব থেকে যেমন এপসগুলো দূরে থাকা যায় না সেগুলোকে ভালো কাজে ব্যবহার করা।
তাদের ছড়ানো অস্ত্র তাদের বিরুদ্ধেই কৌশলে ব্যবহার করা। আর দাজ্জাল থেকে বাঁচার জন্য "সূরা কাহফ" মুখস্ত করা। "যে ব্যক্তি সূরা কাহফের প্রথম ১০ আয়াত মুখস্ত রাখবে সে দাজ্জালের ফিতনা থেকে মুক্ত থাকবে।"(বুখারী,মুসলিম,তিরমিযী)
~~~~~~~~~~
আল্লাহ আমাদের সবাইকে দাজ্জালের ফিতনা থেকে মুক্ত থাকার তাওফিক দিন আমীন।
Wednesday, 22 April 2020
আল কোরআন
সূরা বনী-ইসরাঈল (الإسرا), আয়াত: ৩৭
وَلَا تَمْشِ فِى ٱلْأَرْضِ مَرَحًا إِنَّكَ لَن تَخْرِقَ ٱلْأَرْضَ وَلَن تَبْلُغَ ٱلْجِبَالَ طُولًا
অর্থঃ পৃথিবীতে অহংকার করে পদচারণা করো না। নিশ্চয় তুমি তো ভূ পৃষ্ঠকে কখনই বিদীর্ণ করতে পারবে না এবং উচ্চতায় তুমি কখনই পাহাড় সমানও হতে পারবে না।
وَلَا تَمْشِ فِى ٱلْأَرْضِ مَرَحًا إِنَّكَ لَن تَخْرِقَ ٱلْأَرْضَ وَلَن تَبْلُغَ ٱلْجِبَالَ طُولًا
অর্থঃ পৃথিবীতে অহংকার করে পদচারণা করো না। নিশ্চয় তুমি তো ভূ পৃষ্ঠকে কখনই বিদীর্ণ করতে পারবে না এবং উচ্চতায় তুমি কখনই পাহাড় সমানও হতে পারবে না।
Saturday, 18 April 2020
💖আল কোরআন💖
﷽
এর থেকে বড় আফসোস আর কি হতে পারে?😢 যে,আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে পৃথিবীতে সঠিক, সুন্দরভাবে চলার জন্য কোরআন নামক একটা চিঠি প্রেরণ করলেন,আর আমরা কখনো সেই চিঠিটা বুঝে পড়লাম না।
আল কোরআন
সুরা আল জাসিয়াহ,আয়াত-২৩
أَفَرَءَيْتَ مَنِ ٱتَّخَذَ إِلَٰهَهُۥ هَوَهُ وَأَضَلَّهُ ٱللَّهُ عَلَىٰ عِلْمٍ وَخَتَمَ عَلَىٰ سَمْعِهِۦ وَقَلْبِهِۦ وَجَعَلَ عَلَىٰ بَصَرِهِۦ غِشَٰوَةً فَمَن يَهْدِيهِ مِنۢ بَعْدِ ٱللَّهِ أَفَلَا تَذَكَّرُونَ
অর্থঃ আপনি কি তার প্রতি লক্ষ্য করেছেন, যে তার খেয়াল-খুশীকে স্বীয় উপাস্য স্থির করেছে? আল্লাহ জেনে শুনে তাকে পথভ্রষ্ট করেছেন, তার কান ও অন্তরে মহর এঁটে দিয়েছেন এবং তার চোখের উপর রেখেছেন পর্দা। অতএব, আল্লাহর পর কে তাকে পথ প্রদর্শন করবে? তোমরা কি চিন্তাভাবনা কর না?
আয়াতের শেষে আল্লাহ বলেছেন তোমরা কি চিন্তাভাবনা কর না?
আসলে আল্লাহর কোরআনের প্রতিটা আয়াতইতো (নিদর্শন) চিন্তাভাবনাযোগ্য,কিন্তু আমাদের এতই অধঃপতন হয়েছে যে আমরা আল্লাহর কোরআন নিয়ে চিন্তাভাবনা ছেড়ে দিয়ে দুনিয়া নিয়ে চিন্তা ভাবনা করছি,তাইতো আমাদের উপর যতসব আজাব গজব আপতিত হচ্ছে।
অত্র আয়াতে আল্লাহ বলেন,আপনি কি তার প্রতি খেয়াল করেছেন যে তার খেয়াল খুশিকে উপাস্য/প্রভু রুপে গ্রহণ করেছে?
কাউকে যদি বলি ভাই আপনিতো আপনার খেয়াল খুশিকে প্রভু বানিয়েছেন,সে হেয় করে বলবে দুর ভাই কে বলছে আমিতো আল্লাহকে প্রভু হিসেবে মানি,যাকে প্রভু হিসেবে মানি প্রতিটা কাজেই কিন্তু তাঁর আদেশ -নিষেধ মেনে চলতে হয় কিন্তু আমরাতো নামে আল্লাহকে প্রভু হিসেবে মেনে নিয়েছি আর প্রতিটা কাজ আমাদের খেয়াল খুশি মত/বাপদাদাদের নিয়ম মত/পীর বুজুর্গের নিয়ম মত/নেতাদের নিয়ম মত মানতেচি,কোন ক্ষেত্রে নিজের ইচ্ছাকে বানিয়েছি প্রভু,কোন ক্ষেত্রে বাপদাদাকে বানিয়েছি উপাস্য,কোন ক্ষেত্রে নেতাদেরকে বানিয়েছি প্রভু।
একটু ভাবুন কিভাবে আমরা এদেরকে প্রভু বানিয়েছি,
খেয়াল খুশি-একজন মুমিন বান্দাহর প্রতিটা কাজ হবে আল্লাহর বলা ও রাসুলের দেখানো পথ অনুযায়ী কিন্তু এর বাহিরে আপনি যদি কোন কাজ নিজের ইচ্ছা মতো করেন,যেমন মুমিন ব্যক্তি সকালে চোখে ঘুম থাকুক আর না থাকুক আল্লাহর আদেশ পালনার্থে নামাজের জন্য উঠে যাবে,কিন্তু যে তার খেয়াল খুশিকে প্রভু বানিয়েছে সে ঘুম চোখে থাকুক আর না থাকুক সে শুয়ে থাকবে,এরকম প্রতিটা কাজে সে নিজের খেয়াল খুশিকে প্রভু হিসেবে গ্রহন করে,
বাপ দাদার নিয়ম-অনেক ক্ষেত্রে দেখবেন মানুষ যদি কোন ভুল কাজের মধ্যে থাকে আর কেউ যদি তাকে বলে ভাই আপনার এ কাজটা ভুল, ইসলাম এইভাবে বলেনাই অন্যভাবে বলছে তখন তারা বলে আমাদের বাপদাদারা এভাবে করে গেছে ওরা কি ভুল করছে নাকি?এভাবেই তারা আল্লাহর বিধানকে উপেক্ষা করে বাপ দাদাকে প্রভুর জায়গায় স্থান দেয়।
পীর বুজুর্গের নিয়ম-অনেক মুরিদ/ভক্ত আছে যারা তাদের পীর বা বুজুর্গ যেটা বলছে সেটার উপরই অটল থাকে,যদিও সেটা ভুল,কিছুতেই তাকে সে ভুল কাজ থেকে ফিরানো যায়না,বললে আপনাকে উলটো ধমক দিয়ে বলবে উনি এত বড় পীর বুজুর্গ উনি কি ভুল আমল করেছেন?
এভাবে পীর বুজুর্গকে প্রভুর জায়গায় বসিয়ে দেয়।
নেতার নিয়ম-এবার আসুন নেতার নিয়মে,সকলেই মনে করে যে তার নেতা যেভাবে আদেশ করে, যে কাজ করে,যেভাবে চলে সেটাই সঠিক, তাতে কোন ভুল নেই,কিন্তু তার জানা নেই যে,সবার নেতা হচ্ছে মুহাম্মদ(সাঃ),যদি কোন মানুষের মধ্যে রাসুল (সাঃ) এর আদর্শ ফুটে উঠে তাহলে তাকে অনুসরণ করা যাবে,কারন মানুষ শুনার থেকে দেখে কিছু অনুসরণ করতে পারদর্শী,
কিন্তু কিছু মানুষ একবারো ভাবেনা তার নেতার মধ্যে রাসুল (সাঃ) চরিত্র বিদ্যমান আছে কিনা,একদম অন্ধভাবে নেতাকে অনুসরণ করে,কেউ তার নেতা সম্পর্কে কিছু বললে তাকে মারতে উঠে,এভাবে সে তার প্রভুর আসনে নেতাকে বসিয়ে দেয়।।
এর কারনে কি হয়,আল্লাহ এধরনের মানুষকে নিজ হাতে পথভ্রষ্ট করে দেন,
এবার বলুন আল্লাহ যাকে পথভ্রষ্ট করেন সে কি করে সঠিক পথের সন্ধান পাবে? ...
আল্লাহ আমাদের সবাইকে দুনিয়াবী সকল প্রভুকে বাদ দিয়ে এক আল্লাহর গোলামী করার তাওফিক দিন,আমিন
أَفَرَءَيْتَ مَنِ ٱتَّخَذَ إِلَٰهَهُۥ هَوَهُ وَأَضَلَّهُ ٱللَّهُ عَلَىٰ عِلْمٍ وَخَتَمَ عَلَىٰ سَمْعِهِۦ وَقَلْبِهِۦ وَجَعَلَ عَلَىٰ بَصَرِهِۦ غِشَٰوَةً فَمَن يَهْدِيهِ مِنۢ بَعْدِ ٱللَّهِ أَفَلَا تَذَكَّرُونَ
অর্থঃ আপনি কি তার প্রতি লক্ষ্য করেছেন, যে তার খেয়াল-খুশীকে স্বীয় উপাস্য স্থির করেছে? আল্লাহ জেনে শুনে তাকে পথভ্রষ্ট করেছেন, তার কান ও অন্তরে মহর এঁটে দিয়েছেন এবং তার চোখের উপর রেখেছেন পর্দা। অতএব, আল্লাহর পর কে তাকে পথ প্রদর্শন করবে? তোমরা কি চিন্তাভাবনা কর না?
আয়াতের শেষে আল্লাহ বলেছেন তোমরা কি চিন্তাভাবনা কর না?
আসলে আল্লাহর কোরআনের প্রতিটা আয়াতইতো (নিদর্শন) চিন্তাভাবনাযোগ্য,কিন্তু আমাদের এতই অধঃপতন হয়েছে যে আমরা আল্লাহর কোরআন নিয়ে চিন্তাভাবনা ছেড়ে দিয়ে দুনিয়া নিয়ে চিন্তা ভাবনা করছি,তাইতো আমাদের উপর যতসব আজাব গজব আপতিত হচ্ছে।
অত্র আয়াতে আল্লাহ বলেন,আপনি কি তার প্রতি খেয়াল করেছেন যে তার খেয়াল খুশিকে উপাস্য/প্রভু রুপে গ্রহণ করেছে?
কাউকে যদি বলি ভাই আপনিতো আপনার খেয়াল খুশিকে প্রভু বানিয়েছেন,সে হেয় করে বলবে দুর ভাই কে বলছে আমিতো আল্লাহকে প্রভু হিসেবে মানি,যাকে প্রভু হিসেবে মানি প্রতিটা কাজেই কিন্তু তাঁর আদেশ -নিষেধ মেনে চলতে হয় কিন্তু আমরাতো নামে আল্লাহকে প্রভু হিসেবে মেনে নিয়েছি আর প্রতিটা কাজ আমাদের খেয়াল খুশি মত/বাপদাদাদের নিয়ম মত/পীর বুজুর্গের নিয়ম মত/নেতাদের নিয়ম মত মানতেচি,কোন ক্ষেত্রে নিজের ইচ্ছাকে বানিয়েছি প্রভু,কোন ক্ষেত্রে বাপদাদাকে বানিয়েছি উপাস্য,কোন ক্ষেত্রে নেতাদেরকে বানিয়েছি প্রভু।
একটু ভাবুন কিভাবে আমরা এদেরকে প্রভু বানিয়েছি,
খেয়াল খুশি-একজন মুমিন বান্দাহর প্রতিটা কাজ হবে আল্লাহর বলা ও রাসুলের দেখানো পথ অনুযায়ী কিন্তু এর বাহিরে আপনি যদি কোন কাজ নিজের ইচ্ছা মতো করেন,যেমন মুমিন ব্যক্তি সকালে চোখে ঘুম থাকুক আর না থাকুক আল্লাহর আদেশ পালনার্থে নামাজের জন্য উঠে যাবে,কিন্তু যে তার খেয়াল খুশিকে প্রভু বানিয়েছে সে ঘুম চোখে থাকুক আর না থাকুক সে শুয়ে থাকবে,এরকম প্রতিটা কাজে সে নিজের খেয়াল খুশিকে প্রভু হিসেবে গ্রহন করে,
বাপ দাদার নিয়ম-অনেক ক্ষেত্রে দেখবেন মানুষ যদি কোন ভুল কাজের মধ্যে থাকে আর কেউ যদি তাকে বলে ভাই আপনার এ কাজটা ভুল, ইসলাম এইভাবে বলেনাই অন্যভাবে বলছে তখন তারা বলে আমাদের বাপদাদারা এভাবে করে গেছে ওরা কি ভুল করছে নাকি?এভাবেই তারা আল্লাহর বিধানকে উপেক্ষা করে বাপ দাদাকে প্রভুর জায়গায় স্থান দেয়।
পীর বুজুর্গের নিয়ম-অনেক মুরিদ/ভক্ত আছে যারা তাদের পীর বা বুজুর্গ যেটা বলছে সেটার উপরই অটল থাকে,যদিও সেটা ভুল,কিছুতেই তাকে সে ভুল কাজ থেকে ফিরানো যায়না,বললে আপনাকে উলটো ধমক দিয়ে বলবে উনি এত বড় পীর বুজুর্গ উনি কি ভুল আমল করেছেন?
এভাবে পীর বুজুর্গকে প্রভুর জায়গায় বসিয়ে দেয়।
নেতার নিয়ম-এবার আসুন নেতার নিয়মে,সকলেই মনে করে যে তার নেতা যেভাবে আদেশ করে, যে কাজ করে,যেভাবে চলে সেটাই সঠিক, তাতে কোন ভুল নেই,কিন্তু তার জানা নেই যে,সবার নেতা হচ্ছে মুহাম্মদ(সাঃ),যদি কোন মানুষের মধ্যে রাসুল (সাঃ) এর আদর্শ ফুটে উঠে তাহলে তাকে অনুসরণ করা যাবে,কারন মানুষ শুনার থেকে দেখে কিছু অনুসরণ করতে পারদর্শী,
কিন্তু কিছু মানুষ একবারো ভাবেনা তার নেতার মধ্যে রাসুল (সাঃ) চরিত্র বিদ্যমান আছে কিনা,একদম অন্ধভাবে নেতাকে অনুসরণ করে,কেউ তার নেতা সম্পর্কে কিছু বললে তাকে মারতে উঠে,এভাবে সে তার প্রভুর আসনে নেতাকে বসিয়ে দেয়।।
এর কারনে কি হয়,আল্লাহ এধরনের মানুষকে নিজ হাতে পথভ্রষ্ট করে দেন,
এবার বলুন আল্লাহ যাকে পথভ্রষ্ট করেন সে কি করে সঠিক পথের সন্ধান পাবে? ...
আল্লাহ আমাদের সবাইকে দুনিয়াবী সকল প্রভুকে বাদ দিয়ে এক আল্লাহর গোলামী করার তাওফিক দিন,আমিন
Sunday, 5 April 2020
What's meaning of who?? Who অর্থ কি?
Who মানে কি?
world human organisation (বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা) নাকি
World hebrew organisation (বিশ্ব ইহুদী সংস্থা)
যদি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হয় তবে ওদের লগো দাজ্জালের এজেন্ট ইহুদীদের লগো কেন?
বাংলাদেশে জরুরী অবস্থা জারী ও লকডাউন করতে নির্দেশ দিয়েছে who,
আপনি কি মনে করেন এটা বাংলাদেশের উপকারে?
যদি তাই হয় তাহলে ইতিহাস খুঁজে দেখেন ইহুদীরা কখনো মুসলমানদের উপকার করতে চায়নি,অন্য সকল অমুসলিম ধর্ম থেকে ইহুদিরা হচ্ছে মুসলমানদের সবচেয়ে বেশি শত্রু,এমনকি আমাদের চরম দুশমন দাজ্জালের জন্য ইহুদিরা সব প্রস্তুতি গ্রহন করতেছে,
বর্তমানে মানুষ who এর আদেশ এমনভাবেই পালন করে যেন আসমান থেকে নাজিলকৃত ওহী আসছে।
দেশে জরুরী অবস্থা জারী আর লকডাউন করলে আর কোন ক্ষতি না হোক অন্তত দেশের মানুষকে খাদ্য সংকটে ফেলবে।
world human organisation (বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা) নাকি
World hebrew organisation (বিশ্ব ইহুদী সংস্থা)
যদি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হয় তবে ওদের লগো দাজ্জালের এজেন্ট ইহুদীদের লগো কেন?
বাংলাদেশে জরুরী অবস্থা জারী ও লকডাউন করতে নির্দেশ দিয়েছে who,
আপনি কি মনে করেন এটা বাংলাদেশের উপকারে?
যদি তাই হয় তাহলে ইতিহাস খুঁজে দেখেন ইহুদীরা কখনো মুসলমানদের উপকার করতে চায়নি,অন্য সকল অমুসলিম ধর্ম থেকে ইহুদিরা হচ্ছে মুসলমানদের সবচেয়ে বেশি শত্রু,এমনকি আমাদের চরম দুশমন দাজ্জালের জন্য ইহুদিরা সব প্রস্তুতি গ্রহন করতেছে,
বর্তমানে মানুষ who এর আদেশ এমনভাবেই পালন করে যেন আসমান থেকে নাজিলকৃত ওহী আসছে।
দেশে জরুরী অবস্থা জারী আর লকডাউন করলে আর কোন ক্ষতি না হোক অন্তত দেশের মানুষকে খাদ্য সংকটে ফেলবে।
asteroid
যে গ্রহানু আসছে সেটা
নিম্নের আয়াতের ভবিষ্যৎ বাণী নয় তো??
সূরা আল-মুলক (الملك), আয়াত: ১৭
أَمْ أَمِنتُم مَّن فِى ٱلسَّمَآءِ أَن يُرْسِلَ عَلَيْكُمْ حَاصِبًا فَسَتَعْلَمُونَ كَيْفَ نَذِيرِ
না তোমরা নিশ্চিন্ত হয়ে গেছ যে, আকাশে যিনি আছেন, তিনি তোমাদের উপর পাথর বর্ষণ করবেন, অতঃপর তোমরা জানতে পারবে কেমন ছিল আমার সতর্কবাণী।
আল্লাহর গুনবাচক ৯৯টি নাম।।
১.الله-আল্লাহ, প্রভু।
২.الرَّحْمَن সবচাইতে দয়ালু, কল্যাণময়, করুণাময়।
৩. الرَّحِيمُ-সবচাইতে ক্ষমাশীল।
৪. الْمَلِكُ-অধিপতি।
৫. الْقُدُّوسُ-পূতপবিত্র, নিখুঁত।
৬. السَّلَامُ-শান্তি এবং নিরাপত্তার উৎস, ত্রাণকর্তা।
৭. الْمُؤْمِنُ-জামিনদার, সত্য ঘোষণাকারী।
৮. الْمُهَيْمِنُ-অভিভাবক, প্রতিপালক।
৯. الْعَزِيزُ-সর্বশক্তিমান, সবচেয়ে সম্মানিত।
১০. الْجَبَّارُ-দুর্নিবার, সমুচ্চ, মহিমান্বিত।
১১. الْخَالِقُ-সৃষ্টিকর্তা।
১২. الْبَارِئُ-বিবর্ধনকারী, নির্মাণকর্তা, পরিকল্পনাকারী।
১৩. الْمُصَوِّرُ-আকৃতিদানকারী।
১৪. الْغَفَّارُ-পুনঃমার্জনাকারী।
১৫. الْقَهَّارُ-দমনকারী।
১৬. الْوَهَّاب-স্থাপনকারী।
১৭. الرَّزَّاقُ-রিজিকদাতা।
১৮. الْفَتَّاحُ-প্রারম্ভকারী, বিজয়দানকারী।
১৯. الْعَلِيمُ-সর্বজ্ঞানী, সর্বদর্শী।
২০. الْقَابِضُ-নিয়ন্ত্রণকারী, সরলপথ প্রদর্শনকারী।
২১. الْبَاسِطُ-প্রসারণকারী।
২২. الْخَافِضُ-অপমানকারী।
২৩. الرَّافِعُ-উন্নীতকারী।
২৪. الْمُعِزُّ-সম্মানপ্রদানকারী।
২৫. الْمُذِلُّ-সম্মানহরণকারী।
২৬. السَّمِيعُ-সর্বশ্রোতা।
২৭. الْبَصِيرُ-সর্বদ্রষ্টা।
২৮. الْحَكَمُ-বিচারপতি।
২৯. الْعَدْلُ-নিখুঁত।
৩০. اللَّطِيفُ-অমায়িক।
৩১. الْخَبِيرُ-সম্যক অবগত।
৩২. الْحَلِيمُ-ধৈর্যবান, প্রশ্রয়দাতা।
৩৩. الْعَظِيمُ-সুমহান।
৩৪. الْغَفُورُ-মার্জনাকারী।
৩৫. الشَّكُورُ-সুবিবেচক।
৩৬. الْعَلِيُّ-মহীয়ান।
৩৭. الْكَبِيرُ-সুমহান।
৩৮. الْحَفِيظُ-সংরক্ষণকারী।
৩৯. الْمُقِيتُ-লালনপালনকারী।
৪০. الْحَسِيبُ-মীমাংসাকারী।
৪১. الْجَلِيلُ-গৌরবান্বিত।
৪২. الْكَرِيمُ-উদার, অকৃপণ।
৪৩. الرَّقِيبُ-সদা জাগ্রত, অতন্দ্র পর্যবেক্ষণকারী।
৪৪. الْمُجِيبُ-সাড়া দানকারী, উত্তরদাতা।
৪৫. الْوَاسِعُ-অসীম, সর্বত্র বিরাজমান।
৪৬. الْحَكِيمُ-সুবিজ্ঞ, সুদক্ষ।
৪৭. الْوَدُودُ-স্নেহশীল।
৪৮. الْمَجِيدُ-মহিমান্বিত।
৪৯. الْبَاعِثُ-পুনরুত্থানকারী।
৫০. الشَّهِيدُ-সাক্ষ্যদানকারী।
৫১. الْحَقُّ-প্রকৃত সত্য।
৫২. الْوَكِيلُ-সহায় প্রদানকারী, আস্থাভাজন, উকিল।
৫৩. الْقَوِيُّ-ক্ষমতাশালী।
৫৪. الْمَتِينُ-সুদৃঢ়,।
৫৫. الْوَلِيُّ-বন্ধু, সাহায্যকারী, শুভাকাক্সক্ষী।
৫৬. الْحَمِيدُ-সকল প্রশংসার দাবীদার, প্রশংসনীয়।
৫৭. الْمُحْصِي-বর্ণনাকারী, গণনাকারী।
৫৮. الْمُبْدِئُ-অগ্রণী, প্রথম প্রবর্তক, সৃজনকর্তা।
৫৯. الْمُعِيدُ-পুন:প্রতিষ্ঠাকারী, পুনরূদ্ধারকারি।
৬০. الْمُحْيِي-জীবনদানকারী।
৬১. الْمُمِيتُ-ধ্বংসকারী, মৃত্যু আনয়নকারী।
৬২. الْحَيُّ-চিরঞ্জীব, যার কোনো শেষ নাই।
৬৩. الْقَيُّومُ-অভিভাবক, জীবিকানির্বাহ প্রদানকারী।
৬৪. الْوَاجِدُ-পর্যবেক্ষক, চিরস্থায়ী।
৬৫. الْمَاجِدُ-সুপ্রসিদ্ধ।
৬৬. الْوَاحِدُ-এক, অনন্য, অদ্বিতীয়।
৬৭. الصَّمَدُ-চিরন্তন, অবিনশ্বর, নির্বিকল্প, সুনিপুণ, স্বয়ং সম্পূর্ণ।
৬৮. الْقَادِرُ-সর্বশক্তিমান।
৬৯. الْمُقْتَدِرُ-প্রভাবশালী, সিদ্ধান্তগ্রহণকারী।
৭০. الْمُقَدِّمُ-অগ্রগতিতে সহায়তা প্রদানকারী।
৭১. الْمُؤَخِّرُ-বিলম্বকারী।
৭২. الْأَوَّلُ-সর্বপ্রথম, যার কোনো শুরু নাই।
৭৩ الْآخِرُ- সর্বশেষ, যার কোনো শেষ নাই।
৭৪. الظَّاهِرُ-সুস্পষ্ট, সুপ্রতীয়মান।
৭৫. الْبَاطِنُ-লুকায়িত, অস্পষ্ট।
৭৬. الْوَالِيَ-সুরক্ষাকারী বন্ধু, অনুগ্রহকারী, বন্ধুত্বপূর্ণ প্রভু।
৭৭. الْمُتَعَالِي-সর্বোচ্চ মহিমান্বিত, সুউচ্চ।
৭৮. الْبَرُّ-কল্যাণকারী।
৭৯. التَّوَّابُ-বিনম্র, সর্বদা আবর্তিতমান।
৮০. الْمُنْتَقِمُ-প্রতিফল প্রদানকারী।
৮১. الْعَفُوُّ-শাস্তি মউকুফকারী, গুনাহ ক্ষমাকারী।
৮২. الرَّءُوفُ-সদয়, সমবেদনা প্রকাশকারী।
৮৩. مَالِكُ الْمُلْكِ-সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী।
৮৪. ذُو الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ-মর্যাদা ও ঔদার্যের প্রভু।
৮৫. الْمُقْسِطُ-ন্যায়পরায়ণ, প্রতিদানকারী।
৮৬. الْجَامِعُ-একত্র আনয়নকারী, ঐক্য সাধনকারী।
৮৭. الْغَنِيُّ-ঐশ্বর্যবান, স্বতন্ত্র।
৮৮. الْمُغْنِي-সমৃদ্ধকারী, উদ্ধারকারী।
৮৯. الْمَانِعُ-প্রতিরোধকারী, রক্ষাকর্তা।
৯০. الضَّارُّ-যন্ত্রণাদানকারী, উৎপীড়নকারী।
৯১. النَّافِعُ-অনুগ্রাহক, উপকর্তা, হিতকারী।
৯২. النُّورُ-আলোক।
৯৩. الْهَادِي-পথপ্রদর্শক।
৯৪. الْبَدِيعُ-অতুলনীয়, অনিধগম্য।
৯৫. الْبَاقِي-অপরিবর্তনীয়, অনন্ত, অসীম, অক্ষয়।
৯৬. الْوَارِثُ-সবকিছুর উত্তরাধিকারী।
৯৭. الرَّشِيدُ-সঠিক পথের নির্দেশক।
৯৮. الصَّبُورُ-অধীক ধৈর্যশীল।
৯৯. الْمُتَكَبِّرُ-সর্বশ্রেষ্ট,গৌরবান্বিত।
২.الرَّحْمَن সবচাইতে দয়ালু, কল্যাণময়, করুণাময়।
৩. الرَّحِيمُ-সবচাইতে ক্ষমাশীল।
৪. الْمَلِكُ-অধিপতি।
৫. الْقُدُّوسُ-পূতপবিত্র, নিখুঁত।
৬. السَّلَامُ-শান্তি এবং নিরাপত্তার উৎস, ত্রাণকর্তা।
৭. الْمُؤْمِنُ-জামিনদার, সত্য ঘোষণাকারী।
৮. الْمُهَيْمِنُ-অভিভাবক, প্রতিপালক।
৯. الْعَزِيزُ-সর্বশক্তিমান, সবচেয়ে সম্মানিত।
১০. الْجَبَّارُ-দুর্নিবার, সমুচ্চ, মহিমান্বিত।
১১. الْخَالِقُ-সৃষ্টিকর্তা।
১২. الْبَارِئُ-বিবর্ধনকারী, নির্মাণকর্তা, পরিকল্পনাকারী।
১৩. الْمُصَوِّرُ-আকৃতিদানকারী।
১৪. الْغَفَّارُ-পুনঃমার্জনাকারী।
১৫. الْقَهَّارُ-দমনকারী।
১৬. الْوَهَّاب-স্থাপনকারী।
১৭. الرَّزَّاقُ-রিজিকদাতা।
১৮. الْفَتَّاحُ-প্রারম্ভকারী, বিজয়দানকারী।
১৯. الْعَلِيمُ-সর্বজ্ঞানী, সর্বদর্শী।
২০. الْقَابِضُ-নিয়ন্ত্রণকারী, সরলপথ প্রদর্শনকারী।
২১. الْبَاسِطُ-প্রসারণকারী।
২২. الْخَافِضُ-অপমানকারী।
২৩. الرَّافِعُ-উন্নীতকারী।
২৪. الْمُعِزُّ-সম্মানপ্রদানকারী।
২৫. الْمُذِلُّ-সম্মানহরণকারী।
২৬. السَّمِيعُ-সর্বশ্রোতা।
২৭. الْبَصِيرُ-সর্বদ্রষ্টা।
২৮. الْحَكَمُ-বিচারপতি।
২৯. الْعَدْلُ-নিখুঁত।
৩০. اللَّطِيفُ-অমায়িক।
৩১. الْخَبِيرُ-সম্যক অবগত।
৩২. الْحَلِيمُ-ধৈর্যবান, প্রশ্রয়দাতা।
৩৩. الْعَظِيمُ-সুমহান।
৩৪. الْغَفُورُ-মার্জনাকারী।
৩৫. الشَّكُورُ-সুবিবেচক।
৩৬. الْعَلِيُّ-মহীয়ান।
৩৭. الْكَبِيرُ-সুমহান।
৩৮. الْحَفِيظُ-সংরক্ষণকারী।
৩৯. الْمُقِيتُ-লালনপালনকারী।
৪০. الْحَسِيبُ-মীমাংসাকারী।
৪১. الْجَلِيلُ-গৌরবান্বিত।
৪২. الْكَرِيمُ-উদার, অকৃপণ।
৪৩. الرَّقِيبُ-সদা জাগ্রত, অতন্দ্র পর্যবেক্ষণকারী।
৪৪. الْمُجِيبُ-সাড়া দানকারী, উত্তরদাতা।
৪৫. الْوَاسِعُ-অসীম, সর্বত্র বিরাজমান।
৪৬. الْحَكِيمُ-সুবিজ্ঞ, সুদক্ষ।
৪৭. الْوَدُودُ-স্নেহশীল।
৪৮. الْمَجِيدُ-মহিমান্বিত।
৪৯. الْبَاعِثُ-পুনরুত্থানকারী।
৫০. الشَّهِيدُ-সাক্ষ্যদানকারী।
৫১. الْحَقُّ-প্রকৃত সত্য।
৫২. الْوَكِيلُ-সহায় প্রদানকারী, আস্থাভাজন, উকিল।
৫৩. الْقَوِيُّ-ক্ষমতাশালী।
৫৪. الْمَتِينُ-সুদৃঢ়,।
৫৫. الْوَلِيُّ-বন্ধু, সাহায্যকারী, শুভাকাক্সক্ষী।
৫৬. الْحَمِيدُ-সকল প্রশংসার দাবীদার, প্রশংসনীয়।
৫৭. الْمُحْصِي-বর্ণনাকারী, গণনাকারী।
৫৮. الْمُبْدِئُ-অগ্রণী, প্রথম প্রবর্তক, সৃজনকর্তা।
৫৯. الْمُعِيدُ-পুন:প্রতিষ্ঠাকারী, পুনরূদ্ধারকারি।
৬০. الْمُحْيِي-জীবনদানকারী।
৬১. الْمُمِيتُ-ধ্বংসকারী, মৃত্যু আনয়নকারী।
৬২. الْحَيُّ-চিরঞ্জীব, যার কোনো শেষ নাই।
৬৩. الْقَيُّومُ-অভিভাবক, জীবিকানির্বাহ প্রদানকারী।
৬৪. الْوَاجِدُ-পর্যবেক্ষক, চিরস্থায়ী।
৬৫. الْمَاجِدُ-সুপ্রসিদ্ধ।
৬৬. الْوَاحِدُ-এক, অনন্য, অদ্বিতীয়।
৬৭. الصَّمَدُ-চিরন্তন, অবিনশ্বর, নির্বিকল্প, সুনিপুণ, স্বয়ং সম্পূর্ণ।
৬৮. الْقَادِرُ-সর্বশক্তিমান।
৬৯. الْمُقْتَدِرُ-প্রভাবশালী, সিদ্ধান্তগ্রহণকারী।
৭০. الْمُقَدِّمُ-অগ্রগতিতে সহায়তা প্রদানকারী।
৭১. الْمُؤَخِّرُ-বিলম্বকারী।
৭২. الْأَوَّلُ-সর্বপ্রথম, যার কোনো শুরু নাই।
৭৩ الْآخِرُ- সর্বশেষ, যার কোনো শেষ নাই।
৭৪. الظَّاهِرُ-সুস্পষ্ট, সুপ্রতীয়মান।
৭৫. الْبَاطِنُ-লুকায়িত, অস্পষ্ট।
৭৬. الْوَالِيَ-সুরক্ষাকারী বন্ধু, অনুগ্রহকারী, বন্ধুত্বপূর্ণ প্রভু।
৭৭. الْمُتَعَالِي-সর্বোচ্চ মহিমান্বিত, সুউচ্চ।
৭৮. الْبَرُّ-কল্যাণকারী।
৭৯. التَّوَّابُ-বিনম্র, সর্বদা আবর্তিতমান।
৮০. الْمُنْتَقِمُ-প্রতিফল প্রদানকারী।
৮১. الْعَفُوُّ-শাস্তি মউকুফকারী, গুনাহ ক্ষমাকারী।
৮২. الرَّءُوفُ-সদয়, সমবেদনা প্রকাশকারী।
৮৩. مَالِكُ الْمُلْكِ-সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী।
৮৪. ذُو الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ-মর্যাদা ও ঔদার্যের প্রভু।
৮৫. الْمُقْسِطُ-ন্যায়পরায়ণ, প্রতিদানকারী।
৮৬. الْجَامِعُ-একত্র আনয়নকারী, ঐক্য সাধনকারী।
৮৭. الْغَنِيُّ-ঐশ্বর্যবান, স্বতন্ত্র।
৮৮. الْمُغْنِي-সমৃদ্ধকারী, উদ্ধারকারী।
৮৯. الْمَانِعُ-প্রতিরোধকারী, রক্ষাকর্তা।
৯০. الضَّارُّ-যন্ত্রণাদানকারী, উৎপীড়নকারী।
৯১. النَّافِعُ-অনুগ্রাহক, উপকর্তা, হিতকারী।
৯২. النُّورُ-আলোক।
৯৩. الْهَادِي-পথপ্রদর্শক।
৯৪. الْبَدِيعُ-অতুলনীয়, অনিধগম্য।
৯৫. الْبَاقِي-অপরিবর্তনীয়, অনন্ত, অসীম, অক্ষয়।
৯৬. الْوَارِثُ-সবকিছুর উত্তরাধিকারী।
৯৭. الرَّشِيدُ-সঠিক পথের নির্দেশক।
৯৮. الصَّبُورُ-অধীক ধৈর্যশীল।
৯৯. الْمُتَكَبِّرُ-সর্বশ্রেষ্ট,গৌরবান্বিত।
সুরা শামস
﷽
সাধারনত আমরা কোন কথার গুরুত্ব বুঝাতে,সত্য বলে স্বীকৃতি দিতে কসম করে থাকি,আল্লাহ সুরা শামস ছাড়া আর অন্য কোন জায়গায় এত বেশি কসম করেন নাই,
সুরা শামস এর মধ্যে ৭টা বড় বড় জিনিসের কসম করেছেন,এর দ্বারা বুঝা যায় অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ কিছু বুঝাতে আল্লাহ এতবার কসম করেছেন,
১)কসম সুর্যের।
২)কসম চাঁদের।
৩)কসম দিনের।
৪)কসম রাতের।
৫)কসম আসমানের।
৬)কসম পৃথিবীর।
৭)কসম আত্বার।
এর পর আল্লাহ বলেছেন,
সফল সে,যে,নিজেকে পরিশুদ্ধ করেছে
এবং ধংশ সে নিজেকে কলুষিত করেছে।
অর্থাৎ সেই ব্যক্তিই সফল যে নিজের মধ্যে থাকা খারাপ গুন গুলো থেকে বাঁচার চেষ্টা করেছে,
আর ধংশ সেই ব্যক্তি,যে নিজের মাঝে থাকা খারাপ গুন গুলো থেকে নিজেকে পরিশুদ্ধ করতে চেষ্টা করেনি।সেই দোষ নিয়েই মৃত্যু বরন করেছে।।।
- আশা করি সবার বুঝা আসছে।
Saturday, 4 April 2020
ইলুমিনাতি
দাজ্জালের আগমনের জন্য ইহুদিরা সব তৈরি করে ফেলছে আর আমরা মুসলিম জাতি গুমিয়ে আছি,জানিনা কোনদিন এ জাতির ঘুম ভাংবে😥
হুশ কি সেদিন হবে যেদিন দাজ্জাল আপনার ঈমান কিনার জন্য আপনার ঘরের দরজায় এসে পৌঁছবে?
ইহুদিরা আমাদের কোরআন , হাদিস গবেষণা করে অনেকটাই প্রস্তুতি গ্রহন করে ফেলছে,আর আমরা এখনো অনেকে দাজ্জাল কে হবে সেটাই জানিনা।মনে করি দাজ্জাল একটা গালি,
কোন মানুষ বেশি খারাপ হলে তাকে দাজ্জাল বলে হয়তো।
সামান্য লেংটা বাবার কাছে গিয়েই যেভাবে আমার দেশের মানুষ নিজের ঈমান বিক্রি করে দেয়,দাজ্জালের আগমনে তাদের ঈমানের কি দশা হবে?
হে আমার মুসলিম ভাই বোনেরা জেগে উঠুন,ইসলামের কাছে আসুন।
হুশ কি সেদিন হবে যেদিন দাজ্জাল আপনার ঈমান কিনার জন্য আপনার ঘরের দরজায় এসে পৌঁছবে?
ইহুদিরা আমাদের কোরআন , হাদিস গবেষণা করে অনেকটাই প্রস্তুতি গ্রহন করে ফেলছে,আর আমরা এখনো অনেকে দাজ্জাল কে হবে সেটাই জানিনা।মনে করি দাজ্জাল একটা গালি,
কোন মানুষ বেশি খারাপ হলে তাকে দাজ্জাল বলে হয়তো।
সামান্য লেংটা বাবার কাছে গিয়েই যেভাবে আমার দেশের মানুষ নিজের ঈমান বিক্রি করে দেয়,দাজ্জালের আগমনে তাদের ঈমানের কি দশা হবে?
হে আমার মুসলিম ভাই বোনেরা জেগে উঠুন,ইসলামের কাছে আসুন।
চোখ মেলে দেখুন আপনি এখনো অনেকটা দাজ্জালের জালে পা দিয়ে ফেলেছেন...
করোনা ভাইরাস
আসসালামু আলাইকুম।
বিশ্বের এক করুন মুহূর্তে কিছু কথা,
বিশ্বকে আজ একটা খাচায় বন্ধি করে ফেলা হয়েছে সামান্য একটা ভাইরাস দিয়ে,হাজারো মানুষ মারা যাচ্ছে লাখো মানুষ অসুস্থ,
কিন্তু এই ভাইরাস ছড়ানোর মুল হোতা কে?
Corona
C-3
O-15
R-18
O-15
N-14
A-1 =66
Corona তে আছে 6টা ডিজিট
আর শয়তানের সংখ্যা হচ্ছে 666??
কিছু বুঝলেন?
বিশ্বের এক করুন মুহূর্তে কিছু কথা,
বিশ্বকে আজ একটা খাচায় বন্ধি করে ফেলা হয়েছে সামান্য একটা ভাইরাস দিয়ে,হাজারো মানুষ মারা যাচ্ছে লাখো মানুষ অসুস্থ,
কিন্তু এই ভাইরাস ছড়ানোর মুল হোতা কে?
Corona
C-3
O-15
R-18
O-15
N-14
A-1 =66
Corona তে আছে 6টা ডিজিট
আর শয়তানের সংখ্যা হচ্ছে 666??
কিছু বুঝলেন?
Subscribe to:
Posts (Atom)

